আমাজনে হাই-কনটেন্ট বই পাবলিশ করবেন?

 কেন আমাজনে হাই-কনটেন্ট বই পাবলিশ করবেন?

আমাজন KDP তে সারা দুনিয়া থেকে মানুষ ৩ ধরনের কনটেন্ট পাবলিশ করে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারে।
১ম ক্যাটাগরির কনটেন্ট হচ্ছে হাই-কনটেন্ট- আমরা এই হাই-কনটেন্ট নিয়েই কাজ করি।
হাই-কনটেন্ট এর মধ্যে নন-ফিকশন এবং ফিকশন খুব জনপ্রিয়। আপনি ট্রেডিশনাল পাবলিশিংএ না গিয়ে সরাসরি নিজের বই নিজে পাবলিশ করতে পারবেন যারা Self-published বা Indie Author নামে পরিচিত।
আমাদের দেশে যেমন খুব সহজে ট্রেডিশনাল পাবলিশিং হাউজ ব্যবহার করে বই পাবলিশ করা যায় উন্নত দেশে এইরকম বই পাবলিশ করা অনেক কঠিন। কারণ এজেন্ট খুঁজে পাওয়া এবং সে এজেন্ট আপনার পান্ডুলিপির যে পার্ট আপনি পড়তে দিবেন বই পাবলিশিং পরীক্ষায় টেকার জন্য তা আদৌ পছন্দ করে কিনা কোনো নিশ্চয়তা নেই। ফলে আপনি একটা পান্ডুলিপি নিয়ে অনেক এজেন্টের কাছে ঘুরতে পারেন এবং অনেকবার রিজেক্ট খেতে পারেন।
কথিত আছে JK Rawling হ্যারি পটার পাবলিশ করার আগে ১১ বারের মত রিজেক্ট খেয়েছিলেন। এইরকম রিজেক্ট খাওয়া খুব নরমাল ব্যাপার বই পাবলিশ করার ক্ষেত্রে।
ট্রেডিশনাল পাবলিশিংএ রয়াল্টির পরিমাণও কম তবে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে ট্রেডিশনাল পাবলিশিং খুব উন্নত।
এই ট্রেডিশনাল পাবলিশিং এর ঝক্কি এড়াতে নিজেই নিজের বই পাবলিশ করতে মানুষ সেল্ফ-পাবলিশিং প্ল্যাটফর্ম পছন্দ করে। যেহেতু এখানে কোনো ঝামেলা ছাড়াই বই পাবলিশ করা যায় এবং সাসটেইনেবল একটা বিজনেস দাড় করানো যায়।
Amazon KDP ছাড়াও আছে Draft2Digital এবং Notion Press India.
তবে এই রাস্তাটা এত সহজ নয় মোটেও। একটা নন-ফিকশন বই লেখা যে কত কষ্টের তা আপনি নিজে চেষ্টা না করলে বুঝবেন না।
একটা নির্দিষ্ট সময় নিয়ে আপনাকে এই বিজিনেসে নামতে হবে এবং প্রতিনিয়ত লেগে থাকার মানসিকতা থাকতে হবে। একটা পর্যায়ে সহজ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ এবং আপনি ঘরে বসেই সম্মানের সাথে এই বিজনেসটা চালিয়ে যেতে পারবেন।
২য় ক্যাটাগরিতে আছে মিড-কনটেন্ট- হাই-কনটেন্ট পারলে আপনি এটাও পারবেন। ক্যানভা গ্রাফিক্স ইউয করে বা আপনি যদি Adobe Photoshop এর কাজ জানেন তাহলে এই জায়গায় খুব ভালো করতে পারবেন।
৩য় ক্যাটাগরিতে আছে লো-কনটেন্ট(ডায়েরি,নোটবুক টাইপের): যা করতে আমি নিষেধ করে থাকি কারণ হচ্ছে আমাজনে এই লো-কনটেন্ট ওভার সেচুরেটেড হয়ে গেছে। স্বয়ং নেইটিভরাই এই বিজনেস করে যাচ্ছে।
নন-নেইটিভদের প্রব্লেম হয় আমাজন একাউন্ট রেস্ট্রিকশন/টার্মিনেশন নিয়ে কারণ লো-কনটেন্ট এ কাজ করতে গেলে কপিরাইট নিয়ে খুব বেশি জানা লাগে। যেহেতু লো-কনটেন্টের ভিতরে লেখা তেমন থাকেইনা তাই কারো না কারো সাথে যদি মিলে যায় তাহলে একাউন্টের প্রব্লেম হয়। আমাজনে একবার একাউন্ট গেলে সেকেন্ডটা খুলতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।
তাই কষ্ট হলেও সেইফ এবং সম্মানের হচ্ছে হাই-কনটেন্ট নিয়ে কাজ করা।
আমাদের সেল্ফ-পাবলিশিং কোর্সটা তিনভাগে বিভক্ত।
১) বই লেখা এবং পাবলিশ করা শেখানো, বই লেখার কাজ বা গোস্টরাইটার হিসেবে কিভাবে কাজ পাওয়া যায় তা দেখানো।
২) ব্লগিং এবং কপিরাইটিং
৩) লিংকডিন/টুইটার বিজনেস। এখানে আছে অনেককিছু যা করতে গেলে আপনাকে আগে ১ এবং ২ এর যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
আমাদের থার্ড ব্যাচে রেজিষ্ট্রেশন চলছে। (ফিমেইল অনলি)
রেজিস্ট্রেশন করতে নিচের গ্রুপে জয়েন হোন এবং আরও তথ্য জানতে আমাদের পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।

Comments

Popular posts from this blog

Camara

photography and camera into various niches,

SEO এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে: